
ফেসবুক নামটা এখন গ্রামে গঞ্জের মানুষের মুখেও শোনা যায়। ফেসবুকে বর্তমানে ব্যাবহারকারী রয়েছে প্রায় ৯৫ কোটি, আর তাই যদি হয় তাহলে আপনার যদি ফেসবুক আ্যকাউন্ট না থাকে তাহলে আপনার দিকে সবাই আরোচোখে তাকাতেই পারে।
দ্যা ডেইলি মেইল জানিয়েছে, বর্তমানে কিছু সাইকোলজিস্টএবং চাকুরিদাতা জানিয়েছেন তারা খুব অবাক হন যাদের ফেসবুক আ্যকাউন্ট নেই তাদের ওপর। এটা শুধু এই জন্যে যে তরুন প্রজন্মের মধ্যে যারা ফেসবুক ব্যাবহার করাটা সাধারন ব্যাপার। কিন্তু যারা ব্যাবহার করেননা তাদের অস্বাভাবিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বর্তমানে চাকুরিদাতারা ধরেই নেন যে আবেদনকারির ফেসবুক আ্যকাউন্ট আছে। তাই যে আবেদনকারি ফেসবুক বা অন্য কোনো সোশ্যাল নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন, সেখানে চাকুরিদাতা মনে করেন হয়ত তার আ্যকাউন্টটিতে অনেক খারাপ ধরনের জিনিস ছিল যে কারনে সে সেখান থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে । বর্তমানে প্রায় ৯০% চাকুরিদাতাই আবেদনকারীর ফেসবুক প্রোফাইল জাচাই বাছাই করে চাকুরি দেন।
অপরদিকে সাইকোলজিস্টরা মনে করেন, ফেসবুকে কার্যক্রম একটি শক্তিশালী সামাজীক জীবন। সাইকোলজিস্ট ক্রিস্টফোর মোলান জার্মান পত্রিকা ডের ট্যাগগসপিগেল কে জানিয়েছেন, ” ইন্টারনেট এখন জীবনের স্বাভাবিক বিষয়” । “এটা সম্ভব যে আপনি আপনার জীবন সম্পর্কে সুনিশ্চিত পরামর্শ পেতে পারেন অনলাইন বন্ধুদের কাছ থেকে” । মুলার আরো জানান ফেসবুকে কার্যক্রম সামাজীক উদ্বেগ কে প্রশমিত করে যা মুলত অফলাইনে হয়।
জার্মান ম্যাগাজিনটি জানায়, কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাটম্যান ছবির প্রিমিয়ারে হামলার মূল নায়ক জেমস হোমস এবং নরওয়েতে হত্যাকান্ডের হোতা আন্দ্রেস ব্রেইভিক ছিলেন ফেসবুক থেকে বিচ্ছিন্ন। একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে ফেসবুকে অনুপস্থিত ব্যাক্তিরাই এই পর্যন্ত গনহত্যার মুল নায়ক।
উপরের দুজন শুটার ই ছিলেন অখ্যাত সোশ্যাল নেট ওয়ার্কের আওতায়। ব্রেইভিক ছিলেন মাইস্পেসে এবং হোমস ছিলেন আ্যডাল্ট ফ্রেন্ড ফাইন্ডারে।
আপনি কি মনে করেন, ফেসবুকে না থেকে আপনার সামাজীক জিবনে কোনো প্রভাব পরেছে? বা এমন কোনো সন্দেহ জনক মানুষকে পেয়েছেন যার ফেসবুক আ্যকাউন্ট নেই? আপনার মতামত কি ফেসবুক আ্যকাউন্ট থাকা বা না থাকার ব্যাপারে? কমেন্টে জানান আমাদের।
No comments:
Post a Comment