পৃষ্ঠাসমূহ

Tuesday, December 30, 2014

মজার সব তথ্য

১. আপনার দু চোখ প্রতিদিন যেই পরিমাণ পরিশ্রম করে সেই পরিমাণ পরিশ্রম যদি আপনি আপনার পা দুটোকে করাতে চান তাহলে আপনার প্রতিদিন কতটুকু হাঁটতে হবে জানেন?? মাত্র ৮০ কিলোমিটার!!
২. সমুদ্রের তলদেশে যেই পরিমাণ স্বর্ণ রয়েছে তা যদি উত্তোলন করা সম্ভব হতো তবে পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষ ২০ কেজি করে স্বর্ণ পেতেন!!
৩. আপনি যেই মুহূর্তে এই লেখাটুকু (৩ নাম্বার লেখাটা) পড়লেন তার ফাঁকে পৃথিবীর জনসংখ্যা আরো ৯৫ জন বেড়ে গেলো!!(যদি আপনি লেখাটি ৩-৪ সেকেন্ডের মধ্যে পড়ে থাকেন।। যদি আরো বেশি সময় লাগে তবে আরো বেশি বেড়েছে!!)

২০১২ সালে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে এই কথাটা বিশ্বব্যাপী প্রচার করা হয়েছে মূলত কয়েকটি যুক্তিকে কেন্দ্র করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, মায়াদের ক্যালেন্ডার, সুমেরীয়দের তত্ত্ব, সূর্যঝড়, এটম ভাঙন, সুইজারল্যান্ডের লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার, ভয়ঙ্কর অগ্নুৎপাত ও পবিত্র বাইবেলের ঘোষণা।
গত পোস্টে মায়ান দিনপঞ্জি এবং সৌর ঝড় সম্পর্কে জানিয়েছিলাম, আজকে রয়েছে নতুন দুটো কারণ।।
(৩) এটম ভাঙন: ইউরোপের বিজ্ঞানীরা অণু ত্বরান্বিতকরণের জন্য যন্ত্র তৈরি করছেন। মূলত এটি একটি ২৭ কি.মি.র টানেল যেটি এটমের সংঘর্ষ ঘটিয়ে বিশ্বব্রহ্মান্ডকে নাড়াতে সক্ষম। কিন্তু মেগা-গ্যাজেট বিজ্ঞানীদের সংশয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকে মনে করেন এটিকে অন করা আরো ভয়ের কারণ হতে পারে। তারা ভয়ানক মারণাস্ত্রের ফল ঘটার আশংকা করেন, এমনকি মিনি ব্ল্যাক হোকও ঘটার সম্ভাবনা থাকে। সুতরাং যখন এই মেশিন নিক্ষেপ করা হবে ২০১২ সালে প্রথমবারের মত, তখন পৃথিবী বাস্কেটবলের সাইজের ছোট ছোট অংশে পরিণত হয়ে যাবে।
(৪) বাইবেলের ঘোষণা: পবিত্র বাইবেলে বলা হয়েছে পৃথিবীতে ভাল-মন্দের লড়াই সার্বজনীন। এবং ভাল-মন্দের চূড়ান্ত বিচার বা লড়াইয়ের একটা শেষ পরিণতি থাকে। আর সেই শেষ পরিণতির সময় হিসেবে ২০১২ সালের দিকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ‘The I Ching’ নামের চীনা এক গ্রন্থেও এই বিষয়ের কথাটির উল্লেখ পাওয়া যায়।

এই ছবিটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু বিল্ডিং বুরজ দুবাই টাওয়ার (Burj Dubai Tower) এর একদম উপর থেকে তোলা!! এই বিল্ডিঙের মোট উচ্চতা ৮০০ মিটার বা ২৬২৫ ফুট!! শুধু একটা তথ্য দিলে ব্যাপারটা আরেকটু পরিষ্কার হবে।। এই বিল্ডিঙের একদম উপরে আর বিল্ডিঙের একদম তলানিতে তাপমাত্রার পার্থক্য ৮ ডিগ্রি সেন্ট্রিগেড!!
ছবিটা ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখবেন, ছবির সামনের দিকে পৃথিবীর গোলাকার আকৃতিটাও স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে!! কত উঁচু হলে তা বুঝা যাওয়া সম্ভব শুধু একবার চিন্তা করুন!!

No comments:

Post a Comment